বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম 

জিনের জন্ম 
পোস্টটির প্রকাশ কালঃ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি.

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ্! 

[Readers of other languages ​​are encouraged to use Google Translate to read the content in their own language! The Google Translate tool is available right here on this page—simply locate it and click!]

"সৈয়দ জিন আরিফের শরীরে থাকা জিনের  জন্ম ও মানবাকৃতিতে বহিঃপ্রকাশ"

মানুষ হিসেবে, আমি কে এবং কী আমার পরিচয়, এসব সম্পর্কে এখন থেকে আর কিছু আমি লিখতে চাই না! 

তবে আজও এটুকু জানাচ্ছি যে, আমার মনে হয়, আমার শরীরে এবং আমার সাথে, যে একজন মহিলা জিন রয়েছে, তিনি আসলে শুধু একজন নয়! তার নেতৃত্বে তারা একদল মোমেনা মুসলিম মহিলা জিন! 

সে বা তারা আসলে একজন, না সর্বমোট কতজন, বা তাদের প্রকৃত তথ্য কী, এ সব বিষয়ে তারা প্রকাশ্যে আগমনের আগ পর্যন্ত একেবারে নিশ্চিত ভাবে ক্লিয়ার করে বলা, এটা আমার দ্বারা প্রমাণ স্বাপেক্ষ বা যুক্তি নির্ভর নয়!

এসব বিষয়ে আল্লাহু তা'য়ালার রহমতে যদি তারা সশরীরে মানবাকৃতিতে আমার নিকট উপস্থিত হন, তবে তারা এসব বিষয়ে সত্যায়ন করবেন অথবা তারা নিজে, নিজ মুখে সত্য কী, তা বলবেন!

তবে আমার ব্রেনে তারা যে সিগনাল পাঠাচ্ছে, এতে তারা আমার বোন ব্যতীত আরো ১৫ জন বলে বলছে! এবং তাদের নেতৃত্বে আছে একজন! আর তিনি আমার বোন এবং তিনিই সংগঠিত করেছেন বাকি ১৫ জনকে!

তাদের সবাই ছিলেন ইবলিশ সম্প্রদায়ের কাফের ও শয়তান জিন!

তাদের সকলের বাড়ি ছিলো, মানে সকলেই থাকতেন মক্কার মসজিদে হারাম শরীফে!

এবং সবাই ঐ মসজিদের বাকি জিনদের দ্বারা নিয়মিত অপমাণিত, পদদলিত, লাঞ্চিত ও জুলুমের শিকার হয়ে আসছিলেন!

এক পর্যায়ে এ জুলুমের মাত্রা চরম আকার ধারন করে!

তখন আমার বোন সেখানকার জিনদের ও জিন সমাজের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন এবং এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বোনের উপর অত্যাচারের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দেয়!

যার ফলে আমার বোন দিশেহারা হয়ে আজ অনেক বছর ২০০১ ইং সন থেকে আমার শরীরে আশ্রয় নেয় এবং আমার সাথেই থাকতে থাকে!

অবশ্য আগেও, মানে আমার শিশুকাল থেকেই আমার বোন মাকে দেখতে মাঝে মধ্যেই আসতো! এবং আসলেই আমাকে আসর করে থাকতো ও মায়ের নিকট কিছু দিন অবস্থান করে আবার চলে যেতো!

আমার বোনের জন্ম আমার মায়ের গর্ভেই! তিনি আমার সহোদর  জিন বোন!

এ বিষয়গুলো আমার মা হয়তো কখনো বুঝতোও না!

আমার সাথে আমার বোনের জন্মের পর, জন্মের পর থেকে শৈশবকাল আমাকে আসর করে কাটিয়ে পরে যখন সে একটু বড় হয়, তখন আনুমানিক তার ১২ বছর বয়স থেকে মক্কার মসজিদে হারাম শরীফে ইবলিশ জিন হিসেবে থাকতে থাকে!

কারণ সে মনে করেছিলো, মসজিদে হারাম শরীফ হচ্ছে মুসলমানদের সবচাইতে পবিত্রতম স্থান!

সুতরাং এই স্থানে আসা মুসল্লিদেরকে যদি পথভ্রষ্ট করা যায়, তাহলে এটি'ই হবে তার সবচাইতে বড় ও প্রধান সাফল্য! 

আর তাই সে মসজিদে হারাম শরীফে থাকাকে পছন্দ করে! এবং এ জন্যই সে সেখানে থাকতে থাকে! 

কিন্ত আজ অনেক বছর, সেখানকার ইবলিশ জিন দ্বারা চরম নির্যাতনের শিকার হয়ে ও তার নিজ ইবলিশ সম্প্রদায় কর্তৃক অত্যাচারে জর্জরিত হয়ে সেই ২০০১ ইং থেকে একটানা শুধু আমার কাছে, মানে আমাকে আসর করে ও আমার শরীরকে পূর্ণ ঘ্রাস করেই বসবাস করছে!

আমার সাথে থাকতে গিয়েও আমার আপনজন পাড়া-প্রতিবেশী ও পরিচিতজনদের দ্বারা এখানেও তিনি চরম অত্যাচারিত, লাঞ্চিত ও জুলুমের শিকার হচ্ছেন, যা আমার নিকটস্থ ব্যক্তিগণ বুঝতে পারছেন!

এখানে আমি ও তিনি কী পরিমাণ অসহায় ও কষ্টের শিকার হয়েছি, তা আপনারা নিম্নের লিংকে ক্লিক করে অথবা লিংকটি গুগলে সার্চ দিয়ে ঐ প্রবন্ধটি পড়ে মোটামুটি বুঝতে পারেন! 

https://arifstory1.blogspot.com/2026/07/blog-post.html?m=1

এতো কষ্টের পরও আল্লাহর অশেষ রহমতে আমরা এখনো আমাদের মনোবল টিকিয়ে রেখেছি এবং আমাদের জিহাদ পরিচালনা করে যাচ্ছি 

এতে অনেকদিন পরে হলেও তিনি আমার কষ্ট, ধৈর্য ও চরিত্র, মানুষের প্রতি ভালোবাসা এবং আল্লাহু তা'য়ালার প্রতি সু-দৃঢ় মনোবল দেখে তিনি ইসলাম ধর্মের মহানুভবতা উপলব্ধি করেন!

এরপর তিনি আল-কোরআন, আল-হাদিস, ইসলামী আইন ও ইসলামের ইতিহাস ইত্যাদি বিষয় নিয়ে প্রচুর অধ্যায়ন ও গবেষণা করেন! এবং এক পর্যায়ে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন! 

এবং নিজকে নিজেই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন!

কিন্তু মুসলিম হওয়ার পর তিনি দেখতে পান ইসলাম ধর্মে বর্তমানে প্রচলিত কিছু আইনে, বিশেষ করে বিয়ে-শাদী ও যৌন বিষয়ক আইনে কিছু ভুল এবং অসম্পূর্ণতা  রয়েছে! 

যা পবিত্র কুরআন ও হাদীস শরীফ অনুযায়ী হয়নি! 

এতে তাঁর কাছে খুবই খারাপ লাগে! এবং তিনি নিজে নিজে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন যে, তিনি ইসলামের এ আইন গুলো সংশোধন করবেন এবং মুসলিম ও মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করবেন!

পবিত্র কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ অনুযায়ী তিনি বুঝতে পারেন যে, জিন এবং মানুষের মধ্যে বিয়ে জায়েজ এবং এ বিষয়ে আরো কিছু  মাসআলায় তিনি জায়েজ বুঝতে পারেন! 

অথচ ইসলাম ধর্মে বর্তমানে প্রচলিত যে আইন রয়েছে তাতে এগুলো নাজায়েজ হিসেবেই  লিপিবদ্ধ রয়েছে! এবং কিছু কিছু আইনের বিষয়ে বর্তমানে কোন মাসআলাই নাই!

তখন এ আইন গুলো সংশোধন করার লক্ষ্যে বা এ আইন সমূহের পরিপূর্ণ ব্যাখ্যা ও বাস্তব উদাহরণ দেয়ার লক্ষ্যে এবং তার সক্ষমতা অনুযায়ী জিন জাতির পূর্ণ পরিচয় প্রদানের উদ্দেশ্যে তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে,  তিনি মানবাকৃতিতে প্রকাশিত হবেন, এবং তার সাথে যে ১৫ জন রয়েছে তারাও মানবাকৃতিতে প্রকাশিত হবেন, ও তিনি আমাকে বিয়ে করবেন! এবং বাকিরা পবিত্র কুরআনে উল্লেখিত ডান হাতের বন্ধনে আমার সাথে আবদ্ধ হবেন!

কিন্তু তিনি যে মানবাকৃতিতে বৈবাহিক সম্পর্কের অধিকার নিয়ে এবং তার বান্ধবীরা ডান হাতের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার অধিকার নিয়ে  সম্মানের সহিত যে  এখানে  প্রকাশিত হবেন; সে সুযোগটি ইসলাম ধর্মের আলেমগণ সেই প্রাচীন কাল থেকে পবিত্র কুরআন শরীফের ভুল ব্যাখ্যা বা অপব্যাখ্যা দিয়ে  বন্ধ করে রেখেছেন!

ফলে তিনি পবিত্র আল কোরআন ও আল হাদীসের এ-বিষয়ক প্রকৃত ব্যাখ্যা প্রদান করতে এবং প্রকৃত মাসআলার বাস্তব উদাহরণ, দুনিয়ার মানুষের কাছে পেশ করতে, তিনি মানবাকৃতিতে প্রকাশিত হওয়ার এবং আমাকে বিয়ে করার ও তার সহচরী বান্ধবী গণ, ডান হাতের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার, এ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন! 

এবং তিনি ও তার বান্ধবীগণ মনে করছেন যে, জিন হিসেবে মহান আল্লাহু তা'আলার সৃষ্টিকে মানুষ সহ সকলের কাছে  পরিচিত করানোর মাধ্যমে রয়েছে আল্লাহু তা'আলার ইবাদত ও অশেষ সওয়াব! 

আর এজন্যই তিনি ও তাঁর সাথীগণ এবং তাদের অনুসারীগণ আকাশ সম  এ মহা জিহাদের, যা মানবসৃষ্টির এ পর্যন্ত যে সৎ সাহস কেউ করেনি, তা করতে চাচ্ছেন! মানে মানবাকৃতিতে প্রকাশিত হতে চাচ্ছেন ও আমাকে বিয়ে করার মাধ্যমে বাস্তবিক ভাবে ইসলামের সঠিক পরিচয় এ দুনিয়াবাসীর নিকট প্রদান করতে চাচ্ছেন!!

তিনি ও তার বান্ধবীগণ  কর্তৃক আমার ব্রেনে যে সিগনাল পাঠাচ্ছেন, তাতে আমার জিনবোন বলেছেন, ২০০১ ইং এর পর থেকেও তিনি গোপনে মসজিদে হারামে যাচ্ছেন, বা বেশিরভাগ সময়েই তার বান্ধবীদেরকে পাঠাচ্ছেন! তবে আগের মতো অতো বেশি না!

আর ২০২০ ইং থেকে তিনি একটানাই আমার সাথে অবস্থান করছেন! এবং এবার  নাকি, তিনি আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদেরকে সহ নিয়ে যাবেন!

তাদের ভাষ্য মতে তারা মসজিদে হারামের ইবলিশ সম্প্রদায় ও ইবলিশ সমাজ থেকে প্রত্যাখ্যাত আমার বোন সহ ১৬ জন, বয়োসন্ধী কালীন কিশোরী নারী!

ও তারা পরষ্পর অন্তরঙ্গ বান্ধবী! তাদের দু'এক জনের বয়স এর চাইতেও কিছুটা কম হতে পারে!

আমার বোন অত্যাচারিত, নির্যাতিত ও জুলুমের শিকার হয়ে, যখন ২০০১ ইং থেকে আমার সাথে থাকতে লাগলেন, তখন তিনি চেষ্টা করতে থাকলেন, এ রকম নির্যাতিত ইবলিশ জিনদেরকে একত্রিত করে পৃথিবীর মানুষ এবং জিনদের মধ্যেকার মজলুম ও অসহায় নারীদের উন্নতির লক্ষ্যে কিভাবে একটি সংগঠন গঠন করা যায়!

তারই প্রচেষ্টা ও ধারাবাহিকতায় মসজিদে হারামে আগে তার যে বান্ধবীরা ছিলো, সেখানকার আরো ১৫ জনকে, সেখানকার ইবলিশ সম্প্রদায় থেকে ছিন্ন করে তিনি তার সংগঠনের নেত্রী স্থানীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করাতে পেরেছেন!

তার প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের নাম,

 "BANDHAN FOUNDATION

 بندهن فاونديشن" 

এ নামটি অবশ্য মানুষ হিসেবে আমি গোবিন্দপুর ফেনী এলাকাতেও প্রতিষ্ঠা করেছিলাম! 

কিন্তু আমার আত্মীয়-স্বজন গণ আমাকে যেমন বুঝতে পারেনি; আমার প্রতিষ্ঠান কেও, কেউ তারা বুঝতে পারেনি!

ফলে তারা সকলে আমার চরম বিরোধিতা করেছে!

যার ফলে বাধ্য হয়েই জনাব আরিফ সাহেব এখানে "বন্ধন ফাউন্ডেশন" নামক আমাদের এ প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ ঘোষণা করেন! 

কিন্তু জিন হিসেবে আমি এ প্রতিষ্ঠানটি এ নামেই চালিয়ে যাচ্ছি,  এবং এ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি! 

জিন হিসেবে এ প্রতিষ্ঠানের বর্তমান কার্যক্রম হচ্ছে, অসহায় ও মজলুম শিশু এবং নারী জিনদেরকে, তাদের জুলুম থেকে অব্যাহতি বা নিষ্পত্তির লক্ষ্যে, আল্লাহু তা'আলার সাহায্য হিসেবে, তাদেরকে আমাদের হেফাজতে নিয়ে আসা! এবং জিন ও মানুষের শান্তি কামনায় প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া!

আমার বোনের সাথে যে ১৫ জন তার অন্তরঙ্গ বান্ধবী রয়েছে তারা সকলেই বন্ধন ফাউন্ডেশন এর নেতৃস্থানীয়  দায়িত্ববান সদস্য!

তারা সকলেই আমার বোনের অনুগত ও তার অধীনস্থ! 

বর্তমানে সারা পৃথিবী ব্যাপী আমার বোনের নেতৃত্বে রয়েছে, তার কোটি কোটি জিন সদস্য! যাদের বেশিরভাগই মেয়েশিশু ও নারী!

আমরা কথা দিচ্ছি, বর্তমান সময় থেকে ভবিষ্যতের যে কোনো সময় পর্যন্ত, যদি আমাদের দ্বারা মানুষ ও জিন জাতির জন্য কোন সেবা প্রদান করা অব্যাহত রাখতে পারি, তবে আমাদের এই প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের নাম "বন্ধন ফাউন্ডেশন" হিসেবেই মনোনীত ও নির্ধারিত থাকবে! 

এ নামেই আমরা আমাদের সকল খেদমত বা সেবা প্রদান করব বলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ!

আর মসজিদে হারাম থেকে বের হওয়া, আমার বোনসহ সংগঠনের নেত্রী স্থানীয় এ ১৬ জনই অবিবাহিতা এবং বর্তমানে তারা সবাই আমার প্রাণপ্রিয় মুসলিম জিন বান্ধবী! 

যাদেরকে এখনো কোন পূরুষ স্পর্শ করেনি! 

তারা আমার সাথে থাকা কালীন অনেক আগেই নিজে নিজে মুসলিম হয়েছে! তবে কিছু দিন আগে সবাই আমার মুখে মুখে কালিমা পড়ে তারা মুসলিম হয়েছিল! 

তারা আমাকে জানিয়েছে তারা প্রকাশ্যে ওপেন হওয়ার পর, সকলের সামনে আমার মুখে মুখে আবার সকলের নিকট প্রত্যক্ষ ভাবে কালিমা পড়বে!

এবং আমার বাকি বান্ধবী জিনবোনগণ ডানহাতের বন্ধনে আবদ্ধ হবে!

আমার সাথে যে পরি বোন  রয়েছে, তিনি আসলে আমার বোন কিভাবে, তা জানার জন্য ও বুঝার জন্য অনুগ্রহ পূর্বক নিম্নের পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ুন!

আমার বা আমাদের সম্পর্কে যদি এখনো আপনাদের তেমন কিছু জানা না থাকে, তবে আপনারা আমার পূর্বোক্ত পোস্ট সমূহ পড়তে পারেন!

ইনশা'আল্লাহু তা'য়ালা এখন থেকে যে বিষয়ে লিখতে চাই সরাসরি শুধু সে বিষয়েই লিখবো!

আমার পরিচিত আপনাদের সকলের ইতিমধ্যে বিশ্বাস হয়েছে যে আমার শরীরে এবং আমার সাথে মহিলা জিন বসবাস করে!

আজ আমি বলতে চাই, আমার শরীরে এ জিনের জন্ম কিভাবে হয়েছে! বা কোথা থেকে এলো এ জিন! 

এটি কোন লজ্জার বিষয় নয় যে, পুরুষ এবং নারীর মিলনের ফলে মানুষ এবং জিন, এভাবে সকল জীব বা প্রাণীরই জন্ম হয়! 

সূরা বনী ইসরাইলের ৬৪ নাম্বার আয়াতে ইবলিশ বা তার অনুসারীদেরকে আল্লাহু তা'আলা বলেন,

১৭ : ৬৪ وَٱسْتَفْزِزْ مَنِ ٱسْتَطَعْتَ مِنْهُم بِصَوْتِكَ وَأَجْلِبْ عَلَيْهِم بِخَيْلِكَ وَرَجِلِكَ وَشَارِكْهُمْ فِى ٱلْأَمْوَٲلِ وَٱلْأَوْلَـٰدِ وَعِدْهُمْ‌ۚ وَمَا يَعِدُهُمُ ٱلشَّيْطَـٰنُ إِلَّا غُرُورًا 

এ আয়াতে মানুষের সাথে ইবলিশের বা তার অনুসারীদের অংশীদার হওয়ার বিষয়ে, একটি কথা স্পষ্ট করে উল্লেখ রয়েছে যে, মহান আল্লাহতালা বলছেন,  "যাও, তাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে অংশীদার হও"

তাহলে এটি সুস্পষ্ট যে, স্বামী স্ত্রীর সহবাসে ইবলিশ অংশগ্রহণ করতে পারে! যেহেতু ইবলিশকে মানুষের সন্তান-সন্ততিতে অংশীদার হতে মহান আল্লাহু তা'য়ালাই বলেছেন!!

আর সন্তান-সন্ততির মানেই হচ্ছে, তাদের বাবা-মাকে সহবাস করতে হবে! 

কেবলমাত্র সহবাসের মাধ্যমেই মহান আল্লাহ তা'আলা দুনিয়াতে, তার সৃষ্টি মানুষকে তার প্রতিনিধি হিসেবে পাঠিয়ে থাকেন!

আর তাই মানুষের সন্তান-সন্ততিতে অংশগ্রহণের মানেই হচ্ছে, তাদের পিতা-মাতার সহবাসে অংশগ্রহণ করার  অনুমতি দেয়া! 

অর্থাৎ সে সুযোগ এবং স্বক্ষমতা মহান আল্লাহু তা'য়ালা ইবলিশ বা তার সহযোগী বা তার অনুসারীদেরকে   দিয়েছেন!!

এখন কথা হচ্ছে কখন ইবলিশ বা তার অনুসারীরা স্বামী-স্ত্রীর সহবাসে অংশগ্রহণ করতে পারবে!? বা করার সুযোগ থাকবে!?

আবার পবিত্র কোরআনের ভাষ্য অনুযায়ী ইবলিশ যে শুধু নির্দিষ্ট সময়ে বা স্বামী যখন সহবাস করে শুধু তখন যে অংশগ্রহণ করতে পারবে অন্যসময় পারবে না এ ধরনের বিষয় স্পষ্ট করে বুঝা যায়না! 

উপরোক্ত কোরআনের আয়াত থেকে ইবলিশ বা তার অনুসারীরা যেকোনো সময়ে বা বিভিন্নভাবে মানুষদের অরক্ষিত সময় গুলোতে এই মানুষদের সাথে বা মুসলিমদের সাথে সহবাস করতে পারবে এটাই বুঝা যায়!

এক্ষেত্রে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু এর একটি হাদীস উল্লেখ করা যায়!

হাদীসটি এর সনদ সহ নিম্নে উল্লেখ করছি, 

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:...

لَوْ أَنَّ أَحَدَهُمْ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَأْتِيَ أَهْلَهُ قَالَ: بِاسْمِ اللَّهِ، اللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ، وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا، فَإِنَّهُ إِنْ يُقَدَّرْ بَيْنَهُمَا وَلَدٌ فِي ذَلِكَ، لَمْ يَضُرَّهُ شَيْطَانٌ أَبَدًا

অর্থ:

“তোমাদের কেউ যখন তার স্ত্রীর কাছে যাওয়ার ইচ্ছা করে, তখন যদি বলে: ‘বিসমিল্লাহ, হে আল্লাহ! আমাদের থেকে শয়তানকে দূরে রাখুন এবং আপনি আমাদের যা দান করবেন তা থেকেও শয়তানকে দূরে রাখুন’, অতঃপর তাদের সেই মিলনে কোনো সন্তান নির্ধারিত হলে, শয়তান কখনো তাকে ক্ষতি করতে পারবে না।”

— সহীহ আল-বুখারী ৬৩৮৮ 

একই হাদীস সহীহ মুসলিম ১৪৩৪a-তেও রয়েছে।

তাহলে ইহা স্পষ্ট যে, যদি সহবাসের আগে উপরে উল্লেখিত এ দোয়াটি পাঠ করা হয়, তাহলে এই সহবাসে যদি কোন সন্তান পয়দা হয়, তবে ওই সন্তানকে, ইবলিশ বা তার সহযোগীদের থেকে হেফাজতে রাখেন মহান আল্লাহতালা!

কিন্তু এবার চিন্তা করুন, যদি দোয়া পাঠ করা না হয় তাহলে কি হবে!? 

তার মানে, এ সহবাস দ্বারা জন্মিত সন্তানের বিষয়ে আল্লাহু তা'য়ালার  হেফাজতের কোন গ্যারান্টি মহান আল্লাহতালা দেননি! 

অর্থাৎ যুক্তি বলে এটা নিশ্চিত যে, যে সহবাসে আল্লাহু তা'য়ালার নামে আরম্ভ করছি, এ কথা বলা হয় নাই,  অথবা উপরোক্ত নির্দিষ্ট দোয়াটি পড়া হয় নাই,  বা অন্তত বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম বলে আরম্ভ করা হয় নাই; সে সহবাসে, শয়তান অংশগ্রহণ করার সুযোগ থাকে এবং কোরআনের উদ্ধৃতি অনুযায়ী ঐ সন্তান-সন্ততির সাথে ইবলিশ বা তার সহযোগীরা থাকতে পারে! বা ইবলিশ হিসেবে মানব গর্ভেই জিন ফয়দা বা জিনের জন্ম হতে পারে!

এটি উপরোক্ত কোরআনের আয়াত ও হাদীসের যুক্তিবলে সাব্যস্তকৃত!!

অতএব উপরে উল্লেখিত যুক্তি ও সূত্রের আলোকে আমার সাথে থাকা এ জিন, জনাব আরিফ সাহেবের সহোদর জীন বোন, অর্থাৎ আমরা একই মায়ের সন্তান! আমরা পরস্পর ভাই বোন! মানে মানুষ হিসেবে আমি ভাই, এবং জিন হিসেবে  আমি বোন!!

একজন মানুষ, একজন জিন!! 

এখন আপনারা হয়তো বলতে পারেন, মানব সৃষ্টির পর থেকে আজ এত হাজার বছর অতিবাহিত হয়ে গেছে, আজ পর্যন্ত যে যুক্তি ও বাস্তবতা, যা কোন মানুষ বুঝতে পারেনি, যা এ পর্যন্ত কোন মুফাসসির ব্যক্ত করেনি এবং যা কোন তাফসীরের কিতাবে এ পর্যন্ত লিখেনি, সে ঐতিহাসিক  জন্ম, জিন হিসেবে আপনার এখন কিভাবে হল!?

এর উত্তর হলো, কেউ যে বলেনি, একেবারে তা কিন্তু নয়! 

প্রাচীন আলেমদের মধ্যে, কেউ কেউ অভিমত ব্যক্ত করে গেছেন যে, জিন মানুষের সাথে সহবাস করতে পারে এবং জিন এবং মানুষের সে সহবাসে সন্তানও হতে পারে! 

এ বিষয়টি অল্পকিছু বুজুর্গ হলেও ব্যক্ত করে গিয়েছেন! 

আর তাছাড়া সত্য যে সত্য, সেটা বুঝার জন্য বুজুর্গদেরকে ব্যক্ত করতে হবে কেন? 

যেটি আল কোরআন ও আল হাদিস অনুযায়ী স্পষ্টই বুঝা যাচ্ছে! 

আপনারা উপরোক্ত আয়াত এবং হাদিসের মাধ্যমে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন যে, মানুষের সন্তান-সন্ততিতে জিন অংশগ্রহণ করতে পারে! 

প্রাচীন আলেমদের মধ্যে, যারা জিন এবং মানুষের বিয়ে জায়েজ ও তাদের সহবাসে সন্তান হতে পারে এ অভিমত ব্যক্ত করেছেন, তাদের সে অভিমত আপনারা যদি বুঝতে চান, তবে নিম্নের লিঙ্কে ক্লিক করে এবং ওই প্রবন্ধটি ভালো করে পড়ে বুঝতে পারেন-

 https://fatwaarif1.blogspot.com/2025/05/blog-post.html?m=1


আসলে মানব বা জিনের জন্মের বিষয়ে কারও কোন হাত নেই! এটি একমাত্র আল্লাহু তা'য়ালাই জানেন কখন তিনি কাকে সৃষ্টি করবেন! 

আর এভাবে যে সৃষ্টি হচ্ছে না, তা কিন্তু না! 

যেহেতু সৃষ্টি হওয়ার সুযোগ রয়েছে, তাই আমি মনে করি অবশ্যই সৃষ্টি হচ্ছে! 

তবে আমাদের হয়তো এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে জ্ঞান নাই বিধায় আমরা বিষয়টি বুঝতে পারছিনা!

আমার জিন হয়তো এরকম একটি চ্যালেঞ্জিং ও দুর্বোধ্য সংকল্প করায় এবং ইস্পাত কঠিন সিদ্ধান্ত নেয়ায় বিষয়টি মানুষ ও জিন হিসেবে আমাদের সকলের গোচরীভূত হয়েছে! 

আবার আপনারা দুনিয়াতে নিশ্চয়ই দেখতে পাচ্ছেন যে, অনেক দম্পতি অনেক চেষ্টা তদবির করেও সন্তানের মুখ দেখতে পারে না! 

তিনি কখন কাকে, কোন্ মা বাবার গর্ভে পাঠাবেন, এটা একমাত্র তাঁরই কুদরত!! 

এখানে মানুষের বলার বা মানুষের  চিন্তার বা মানুষ সবকিছু বুঝতে পারার  কিছুই নেই!!

এছাড়া আপনারা আবার  বলতে পারেন, মানব স্বামী-স্ত্রীর সহবাসে মুমিন জিন অংশগ্রহণ করার প্রশ্নই উঠে না! 

তাহলে নিশ্চয়ই আমার বাবা কাফের! সে সূত্রে আমিও কাফের!? 

জ্বি, আমি অবশ্যই কাফের ছিলাম! শয়তান জিন ছিলাম! 

জনাব আরিফ সাহেবের কষ্ট ও চরিত্রের প্রভাবে আমি মুসলিম হয়ে গেছি! এবং পরবর্তীতে আমি তার মুখে মুখে  কালিমাও পড়েছি!! যা আমি এবং আমার সহচরী বান্ধবীগণ উপরে বলেছি! 

দেখুন, ইতিমধ্যে আমি অসহায় মানব শিশু ও মানব নারীদের বিষয়ে লেখা আহ্বান করেছি!

যাদের দুনিয়াতে কেহ নাই, যাদেরকে জালিমগণ চরম অত্যাচারে নিমজ্জিত করে যন্ত্রণাদায়ক কষ্ট দিচ্ছে, এবং এভাবে আমি মেয়ে শিশুদেরকে আমার হেফাজতে নিয়ে আসার একটা প্ল্যান আমি করেছি! 

সে সাথে আমি যারা ভবঘুরে অসহায় পাগলী বা মানসিক রোগী নারী; যারা রাস্তায়, বাজারে, বিভিন্ন স্থানে, বৃষ্টিতে ভিজে, রোদে পুড়ে, পরিচয়হীন, ঠিকানাহীন, জ্ঞান-বুদ্ধিহীন লাওয়ারিশ ভাবে পড়ে আছে,  যাদের দুনিয়ায় কেহ নাই; এ জাতীয় মেয়েদের বিষয়ে আমি লিখা আহবান করেছি! 

আপনারা নিম্নের লিঙ্কে ক্লিক করে এবং প্রবন্ধটি পড়ে দেখতে পারেন আমি কিভাবে শিশুদেরকে আমার হেফাজতে নিয়ে আসতে চেয়েছি!

https://savewoman1.blogspot.com/2026/08/blog-post.html?m=1


এখন বিশ্বব্যাপী  আমার সাথে যেসব জিন সদস্য আমাদের সমর্থক ও শুভাকাঙ্খী হিসেবে রয়েছে বা তাদের মধ্যে হয়তো অনেককে আমাদের হেফাজতে আমাদের নিকটও নিয়ে এসেছি! তাদেরকে আমি উপরোক্ত প্রবন্ধে যেভাবে মানব মেয়ে শিশুদেরকে  আমাদের হেফাজতে নিয়ে আসতে চেয়েছি, ঠিক সে একইভাবে  আমি তাদেরকেও আমার হেফাজতে নিয়ে এসেছি!

তারমানে, যাদেরকে আমার হেফাজতে এনেছি, পবিত্র কোরআনে যে ডান হাতের মালিকানার কথা বলা হয়েছে, আদালতের রায়ের পর, আমি নিজকে তাদের এ রূপ মালিক বা অভিভাবক হিসেবে বিবেচনা করছি! 

নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন, আমিসহ আমাদের এ ১৬ জনের কারো কোন মালিক বা অভিভাবক নাই! 

কারণ মুসলিম হওয়ার পর আমাদের মা-বাবার কাছে, আমাদের পরিবারের কাছে, আমাদের সমাজের কাছে, আমাদের আর কোন পরিচয় নেই! 

সেখানে আমাদের সমস্ত পরিচয় বিলীন  করে এখন আমরা মুসলিম হিসেবে জনাব আরিফ সাহেবের সাথেই আছি! 

তাই আমাদের কোনো মালিক বা অভিভাবক এখন আর দুনিয়ায় অবশিষ্ট নাই! 

এখন আমরা স্বেচ্ছায় নিজ থেকে জনাব সৈয়দ জিন  আরিফ সাহেবকে, পবিত্র কুরআনে উল্লেখিত তার ডান হাতের মালিকানায় গ্রহণ করার জন্য আমরা তার নিকট আবেদন  জানিয়েছি!  

এছাড়া উপরে উল্লেখিত প্রবন্ধ অনুযায়ী,  আমরা যেসব শিশু ও নারীকে আমাদের হেফাজতে নিয়ে এসেছি; অর্থাৎ আমরা ডানহাতের মালিক বলে নিজেরা যাদের দায়িত্ব নিয়েছি, আমরা তাদের কেও, জনাব সৈয়দ জিন আরিফের নিকট তার ডান হাতের মালিকানায় হস্তান্তর করার প্রস্তাব পেশ করেছি!

এতে তিনি রাজি হয়ে, আমাদেরকে মানবাকৃতিতে ও আমাদের দ্বারা সম্ভব অন্যান্য  আকৃতিতে, এ পৃথিবীবাসীর  কল্যাণের উদ্দেশ্যে  তার নিকট ওপেন হওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন!

আমরা তাতে রাজি ও খুশি হয়েছি! এবং আমাদের সাথে ও তার সাথে আমাদের চুক্তির অন্যান্য দিক ওকে হলে, তাহলে ইনশা'আল্লাহু তা'য়ালা খুব সহসা আমরা ওপেন হবো! 

এখানে যেহেতু পবিত্র কোরআন ও হাদিসের মধ্যে ডানহাতের মালিকানার ক্ষেত্র বা পরিসীমা নির্দিষ্ট করা হয় নাই বা সীমাবদ্ধ করা হয় নাই বা হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, যে ৪টি ক্যাটাগরি যেমন, যুদ্ধলব্ধ দাসী, ক্রয় ক্রীতদাসী, উপহার বা দানকৃত ক্রীতদাসী, এবং   ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত দাসী,   উদাহরণস্বরূপ তাঁর জীবদ্দশায় তিনি দেখিয়েছেন, এ চারটি ক্যাটাগরি ব্যতীত আর কাউকে, এ ডান হাতের মালিকানায় গ্রহণ করা যাবে না, এ রকম কোন আইন তিনি বলে যান নাই, বা এ ধরনের কোন আইন পবিত্র কুরআন কর্তৃক ও হাদীস কর্তৃক নির্দিষ্ট করা হয় নাই,  বা উল্লেখ করা হয় নাই; তাহলে আমরা মনে করি আমাদের সবাইকে জনাব আরিফ সাহেব, তার ডান হাতের মালিকানায় গ্রহণ করতে ইসলামী শরীয়তে কোনো বাধা-নিষেধ নাই! 

তার মানে তিনি নির্দ্বিধায় আমাদেরকে তার ডান হাতের মালিকানায় বা দুনিয়াবী মালিক হিসেবে আমাদেরকে গ্রহণ করতে পারেন!! 

এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন, জনাব সৈয়দ জিন আরিফ সাহেবের শরীরে ও তার সাথে জিন হিসেবে আমার ও আমাদের জন্ম কিভাবে এবং আমরা এতগুলো মহিলা জিন তাকে আসর করে ও তার সাথে কিভাবে রয়েছি! 

আশা করি বিষয়টি সকলে বুঝতে পারছেন!

উপরোক্ত তথ্য আমার শরীরে জিন বা জিনদের আছর করা অবস্থায় লিখা বিধায়, এসব তথ্য নির্ভূল হিসেবে প্রমাণিত না হলে, তবে  হয়তো কোন  ভুল থাকতেও পারে;  তাই এটিকে চূড়ান্ত না ধরে,  ইনশাআল্লাহু তা'য়ালা জিনেরা যখন মানবাকৃতিতে  আসবে বা ওপেন হবে, তখন ফাইনালি এই প্রবন্ধের সত্যায়ন করা হবে!!

ধন্যবাদ সবাইকে! সবাই ভাল থাকুন! 


 


ণঢ