(নিম্নের পোস্টটি স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত বা প্রকাশের জন্য প্রস্তুতকৃত)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
দৃষ্টি আকর্ষণ
"মানব শরীরে জিনের উদ্ভব এবং মানবেতর জীবন যাপন ও বিয়ের আকাংখা"
আরিফ উল্যাহ চৌধুরী
প্রকাশকালঃ ৫ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রি.
আরিফ উল্যাহ চৌধুরী, পিতা- মরহুম ডাঃ ছিদ্দিক আহাম্মদ, ডাঃ ছিদ্দিক আহাম্মদের বাড়ি, গোবিন্দপুর, হাজীর বাজার, ফেনী সদর, ফেনী।
তিনি তার মায়ের বংশ অনুযায়ী, এবং তার শরীরে জিন উদ্ভব হওয়ায়, তার নাম এফিডেবিট করে 'সৈয়দ জিন আরিফ' 'Sayed Jin Arif' রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তার শরীরে প্রকাশিত হওয়া বিভিন্ন উপস্বর্গ, তার আচার-ব্যবহার, সমাজের বাকি দশজন মানুষের চাইতে তার ভিন্নতর মানসিকতা ও জীবন-যাপন ইত্যাদি উপলব্ধি করে তার এলাকার মানুষেরা তাকে মহিলা জিন বা মহিলা জিনদের একটি দল বা একটি পুরো জিন সম্প্রদায় কর্তৃক আসর বা ঘ্রাস করেছে বলে বিশ্বাস করছেন।
তার শরীরে উদ্ভব হওয়া এ জিনের কারণে, মানে তাদেরকে তাড়াতে চেয়ে বা হত্যা করতে চেয়ে এবং এ কাজে বিভিন্ন চিকিৎসা, গুণিন, বদ্য ইত্যাদির খরচ নির্বাহ করতে গিয়ে ও এ কারণে একেবারে গরীব হয়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে তিনি আত্মীয়-স্বজন, অর্থ-সম্পদ সব হারিয়ে এখন অনেকটা নিঃসঙ্গ ও মানবেতর জীবন-যাপন করছেন! যেহেতু তার কাছে টাকা নেই! এবং অহেতুক স্বার্থ, অর্থ ও সম্মান জনিত হিংসা ও শত্রুতার শীকার হয়েছেন। এ কারণে অনেক ক্ষেত্রে আপনজন পরের মত হয়ে গেছে এবং বন্ধু শত্রুর মত হয়ে গেছে! ফলে জীবন বাঁচানোর প্রয়োজনীয় অর্থহীনতা এবং জটিল স্বাস্থ্য সমস্যায় ভূগছেন তিনি।
ধারনা করা হচ্ছে, এ মহিলা জিনটি জনাব আরিফকে বিয়ে করতে চায় এবং সে বা তারা মুসলিম সম্প্রদায়ভূক্ত জিন। ও তাদের সম্প্রদায় জনাব আরিফের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক গড়তে চায়।
অপরদিকে জিন কর্তৃক ভালো ভালো প্রতিশ্রুতি দেয়ায়, এবং তাকে বা তাদেরকে মুমেন-মুমেনা জিন মনে করায় বা ঈমান এনে মুসলিম হবে, এ রকম মনে করায় জনাব সৈয়দ জিন আরিফও এ বিয়েতে সম্মত ও আগ্রহী হয়ে রয়েছেন।
এখন শুধু অধীর আগ্রহে অপেক্ষা! কখন তার এ জিন, মানব রুপে আসবে! বা আদৌ আসবে কিনা! বা যে কোন কারণেই হোক না কেন, নিজ শরীর থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে কিনা!?
কিন্ত তার চারপাশে এবং প্রায় পুরো বাংলাদেশেই হানাফি মাযহাবের মানুষ হওয়ায়, সবাই তাদের এ বিয়েকে হারাম বলছেন; কেউ মেনে নিতে বা জায়েজ বলতে পারছেন না এ ফতোয়াটি।
ফলে মনে করা হচ্ছে, এ অসম্মান জনক ও নিরাপত্তাহীন পরিবেশ পরিস্থিতিতে এবং অবৈধ হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার বিষয়টি জিন এবং আরিফ উভয়েই সমর্থন করেন না বা এভাবে তারা কেউ চাচ্ছেন না বিধায়, বা অন্য কোন অজানা কারণে জিন আসতে পারলেও, হয়তো আসছেন না।
কারণ তারা উভয়েই চান, দেশি বিদেশি লক্ষাধিক মানুষ ও জিনের উপস্থিতিতে এবং আনন্দঘন পরিবেশে একটি প্রকাশ্য, সকলের নিকট গ্রহণযোগ্য, বৈধ ও রেজিস্টার্ড দলিল সহ একটি বিয়ের অনুষ্ঠান!
এ প্রতিনিধি সরেজমিন তার জন্মস্থান ঘুরে, এখানকার মানুষদের সাথে তার ব্যবহার বিধির বিষয়ে আলোচনা করে ও বিভিন্ন ভাবে খোঁজ খবর নিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন।
তবে কেউ কেউ বলছেন, তার শরীরে উপলব্ধি করা এ অনুজীবটি অন্য কোন ভাইরাসও হতে পারে! কিন্তু আসলে এটি কী, তার জন্য প্রয়োজন তাকে নিয়ে গবেষণার।
তার সান্নিধ্যে এসে ঘনিষ্ঠ ভাবে সর্বোচ্চ এক সপ্তাহ বসবাস করলেই, যে কোন ব্যক্তিই বুঝতে পারবেন যে, তার মন, ব্রেন ও শরীরে এক বা একাধিক অনুজীবের উপস্থিতি রয়েছে!
যেহেতু মানুষের শরীরে এক অজানা অনুজীবের উপস্থিতি! এটি হয়তো আমরা মুসলমানগণ জিন বলে বিশ্বাস করছি! যেহেতু ইবাদতের জন্য উপযুক্ত ও মানুষের উপর আসর করতে পারে এমন জীব, জিন ছাড়া আর অন্য কোন প্রাণীর কথা মহান আল্লাহু তা'য়ালা তাঁর কিতাবে স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করেন নাই।
কিন্তু এটি আসলে কী! আল কুরআনের বিশ্লষণতো আর আমরা পুরোপুরি জানি না, তাই এটি যদি জিন হয়ও, বা না হলেও, তারপরও এটি কি মানব স্বাস্থ্যের জন্য আশির্বাদ না অভিশাফ!? বা এর দ্বারা মানব স্বাস্থ্য বা মানব জীবন বা জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির কী কী উন্নতি বা কতটুকু উন্নতি বা কতটুকু অবনতি হতে পারে!? বা হইলেও সেটি কিভাবে কিভাবে হতে পারে!? ভবিষ্যত মানব স্বাস্থ্যের হেফাজতে বা প্রয়োজনে এ বিষয় গুলো নিয়ে গবেষণা করার যথেষ্ট প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
তাই স্বাস্থ্য ও বিজ্ঞান বিষয়ক দেশী ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সমূহকে তাকে নিয়ে গবেষণা করতে তিনি এ প্রকাশনার মাধ্যমে তাদের প্রতি আবেদন করছেন।
যেহেতু মানব স্বাস্থ্যের যে কোন উন্নতি যদি তার মাধ্যমে হয়, তবে এটি তার ক্রেডিট বা সাওয়াবের ভান্ডার হবে বলেই তিনি মনে করেন!
জনাব আরিফ সাহেব সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে শাফেয়ী মাযহাবের কিতাব, 'রামলী ৬/২৭১', পড়ে জানতে পেরেছেন যে, শাফেয়ী মাযহাবে জিনের সাথে মানুষের বিয়ে জায়েজ!
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, শাফেয়ী মাযহাবের কোন নির্ভর যোগ্য আলেমের সাথে তার পরিচয় বা যোগাযোগ না থাকায় তিনি এ প্রকাশনা বা জাতীয় পত্রিকার মাধ্যমে শাফেয়ী আলেমদের নিকট জানতে চাচ্ছেন, সত্যিই শাফেয়ী মাযহাব অনুযায়ী মানুষের সাথে জিনের বিয়ে জায়েজ কিনা!? যদি কোন শাফেয়ী আলেম এ লিখাটুকু পড়েন, তাহলে দয়া করে ০১৮২২৮৫৯৯৯১ অথবা ০১৭১৮৯৮১৩৪৪ (ইমু, হোয়াটস এপ) এ নাম্বারে ফোন বা ম্যাসেজ দিয়ে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করতে তিনি তার বা তাদের প্রতি বিনীত ভাবে অনুরোধ জানাচ্ছেন। এতে তিনি অল্প কিছু ইংরেজী জানলেও মূলত বাংলা ভাষা ছাড়া আর কোন ভাষা জানেন না। তাই ম্যাসেজ আরবীতে নয়, বাংলা অথবা ইংরেজীতে প্রদানের জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে। এবং এ বিষয়ে ম্যাসেজ দেওয়াটাকেই তিনি বেটার মনে করছেন। যদি এ মাযহাব অনুযায়ী এ ধরনের বিয়ে জায়েজ হয়, তবে শাফেয়ী মাযহাবের মানুষেরা পৃথিবীর কোন্ দেশে বা কোন্ অঞ্চলে বসবাস করে, এ বিষয়টিও জানানোর জন্য তিনি শাফেয়ী আলেমদের নিকট একান্ত অনুরোধ করছেন।
সম্ভব হলে বা তাকে সহযোগিতা করলে প্রয়োজনে তিনি তার জন্মস্থান থেকে হিজরত করে মাযহাব পরিবর্তনের মাধ্যমে শাফেয়ী সমাজে অথবা পবিত্র মক্কা নগরীতে, মসজিদে হারাম শরীফের নিকটে চলে যাবেন ও সেখানেই স্থায়ী বসতি গড়বেন। এ সিদ্ধান্তটি ইতিমধ্যে তিনি তার ব্লগার সাইটে জানিয়েও দিয়েছেন।
সে সাথে তার ব্যবহার অনুযায়ী বুঝা যায়, তাকে আসর করা এ জিন বা জিন সম্প্রদায়ের নিকট রয়েছে অনেক অনেক অর্থ-সম্পদ বা ধন-রত্ন। এদেরকে ওপেন করে মানবরূপে ও মানুষের সহযোগী হিসেবে নিয়ে আসতে পারলে, এ পৃথিবীর অর্থ-সম্পদ এবং জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা সহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের অনেক অনেক উন্নতি হবে বলে তিনি মনে করেন।
বিজ্ঞ ব্যক্তিগণ এ বিষয়ে গবেষণা পরিচালনা করলে ও প্রচেষ্টা চালালে কাজটি সম্ভব বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সুতরাং এ বিষয়ে তিনি দেশ ও বিশ্বের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নিকট সহযোগিতা কামনা করছেন।
কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হচ্ছে, উল্টো তিনি মানুষ কর্তৃক বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন, নিপীড়ন ও জুলুমের শীকার হয়ে একেবারেই অসহায়, ফকিরী ও অত্যন্ত দুঃখী জীবন-যাপন করছেন। খেয়ে না খেয়ে চলছে তার সাংসারিক জীবন। নিজ ঘর, বাড়ি এবং সমাজে পালিত পশু-পাখিদের দাম থাকলেও তার যেন কোন মূল্যায়ন নেই। গুগলে
https://jinmanb.blogspot.com তার এ লিংকটি সার্চ করলে এ সম্পর্কিত বিষয় সমূহে আরো জানা যাবে।
এখন তার কথা হচ্ছে, তাকে উদ্ধারে ও সহযোগিতা করতে দেশ ও বিশ্বের কেউ যখন এগিয়ে আসছেনই না, বা যদি না আসে; তাহলে সম্পূর্ণ তার একক প্রচেষ্টায় অথবা ধৈর্য্য-সয্যের পর জিন যদি নিজ থেকে আগত হয় এবং তখন জিন সম্প্রদায় থেকে যদি অঢেল ধন-রত্ন পাওয়াও যায়, তবে এর সম্পূর্ণ মালিকানা জনাব সৈয়দ জিন আরিফেরই থাকবে! এবং সঠিক, ন্যায্য ও যথোপযুক্ত বিনিময় বিহীন এ ধন-সম্পদ তিনি এ পৃথিবীকে বা পৃথিবীর কোন ব্যক্তি বা সরকারকে দিবেন না বা দিতে বাধ্য থাকবেন না! এটা হবে সম্পূর্ণ তার ইচ্ছাধীন! ও এ বিষয়ে তিনি হবেন সম্পূর্ণ স্বাধীন! কাকে কী দিবেন, বা কী দিবেন না, এটা হবে সম্পূর্ণ তার এখতিয়ার। এ কাজে কোন রূপ শক্তি বা বাহুবল বা অপকৌশ বা নীল নকসা বা যে কোন ধরনের সিস্টেম দ্বারা তাকে তাড়িত করা বা বাধ্য করা যাবে না। কিন্তু যদি কোন মানুষ বা সরকার এ বিষয়ে কোন ধরনের আইন-কানুন বা শক্তি প্রয়োগ করতে চান বা করেন, তবে তা সরাসরি অগ্রাহ্য বা অমান্য করা হবে এবং অস্ত্র ধারন করলে, তার বা তাদের বিরুদ্ধেও অস্ত্র ধারন করা হবে ও এ বিষয়ে যদি কোন সরকার বা ডাকাত দল বা ব্যক্তি কর্তৃক জনাব জিন আরিফকে বাধ্য করতে চান; তবে তার বা তাদের বিরুদ্ধে এ জিন বা জিন সম্প্রদায় কর্তৃক কঠোর শাস্তি প্রদানের আগাম সিদ্ধান্ত এ জিন বা জিন সম্প্রদায় কর্তৃক জানিয়ে দেয়া হলো।
তবে এটা সত্য যে, জিন বা জিন সম্প্রদায় থেকে যদি কোন অর্থ-সম্পদ ও ধন-রত্ন পাওয়া যায়, তবে তা হবে অবশ্যই এ পৃথিবীর জন্যে, এ পৃথিবীর মানব ও জিন সম্প্রদায়ের জন্যেই।
স্মরণ করুন, জনাব জিন আরিফের অসহায়ত্বে যখন তার পাশে কেউ ছিলেন না, এবং এ সবকে মিথ্যা জেনেছেন; বা জনাব জিন আরিফকে পাগল প্রতিয়মান করেছেন, বা ইবলিশ প্রমাণিত করে তাকে দূর্বল বা নিঃশেষ করে দিতে চেয়েছেন বা কষ্টের পর কষ্ট দিয়েছেন এবং তার উপর জুলুম করেছেন; এখন তার সুদিনে বা জীনদের ধন-রত্নে কোন্ অধীকারে বা কোন্ সূত্রে আপনি দাবী করতে পারেন!? হ্যাঁ জনাব আরিফের প্রতি যে যতটুকু করেছেন, ঠিক ততটুকু দাবী করতে পারবেন; এর বেশি নয়!
জনাব আরিফ এবং তার পরিবারের যখন ভাত ছিলো না, আপনারা ভাত দেননি; যখন বস্ত্র ছিলো না, তখন বস্ত্র দেননি; যখন চিকিৎসায় কষ্ট করেছেন, তখন সহানুভূতি ও সেবা দেননি; ক্ষুধার যন্ত্রণায় যখন কাতর ছিলেন, তখন তাকে দূর দূর করেছেন, অথচ নিজেরা পেট ভরে খেয়েছেন; তার প্রাপ্য ন্যায্য হককে না হক করতে চেয়েছেন এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে করেছেনও; সমাজের সবাই মিলে শুধু তার ভূল ধরার চেষ্টায় ছিলেন একজোট, তামাসা চাওয়া চাওয়ি ছিলো আপনাদের প্রধান কাজ, তার কোন ভালো কাজের প্রতিও কোন ধরনের সমর্থন আপনাদের ছিলো না, উল্টা-পাল্টা বা নিজেদের স্বার্থ অনুযায়ী বলে তার সহজ সরল স্ত্রী ও মাকে দিয়ে তার নিজের ঘরকে করেছেন বিষাক্ত, শান্তি পাওয়ার কোন আশ্রম তার ছিলো না, কোথাও যে একটু শান্তি ও স্বস্তিতে রেস্ট নিবেন, এ ব্যবস্থা তার ছিলো না; তার ও তার পরিবারের বেঁচে থাকার অবলম্বন কী হবে, এ বিষয়ে আপনাদের কোন চিন্তা ছিলো না, শুধু তাকে নিয়ে তামাসা আর হাসি-ঠাট্টা করেছেন; তার দুঃখের কথা বলতে গেলে সময় নেই বলে এডিয়ে গিয়েছেন, আপনার মান-সম্মানের হানী হবে মনে করে তার সাথে চলা-ফেরা করেননি এবং তাকে আপনাদের সাথে মিশতে দেননি, আর মিশলেও তাকে ছোট ও খাটো করে রেখেছেন, আপনাদের একজন একজনের টানে শুধু নিছক গ্রুপিংয়ের কারণে অযথাই তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন, ফোন করলে রিসিভ করেননি, কেটে দিয়েছেন; ধার-উধার চাইলে ধার-উধার দেননি; বকেয়া চাইলে বকেয়া দেননি; শয়তান বা দুষ্ট জিন হিসেবে চিহ্নিত করে ও চারদিকে প্রচারণা চালিয়ে এবং সকলে মিলে তাকে দাবিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে ও তা বাস্তবায়নে শত অপ কৌশল, ভীতী ও শক্তি প্রয়োগ করে তার পারিবারিক ও সামাজিক জীবন সহ তার বেঁচে থাকাকে হুমকির মধ্যে ফেলে দিয়েছেন, কিছু বলতে চাইলে শুনেননি, সোস্যাল মিডিয়ায় কিছু লিখতে চাইলে পডেননি এবং বাধা দিয়েছেন, কোন ধরনের লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করেননি, তার পার্সোনাল সময়ের প্রতিও সিক্রেসি বা সম্মানবোধ আপনাদের ছিলো না, সে সময়েও আপনারা তার উপর নজর রেখেছেন এবং করেছেন অপমান, তিনি কোন ব্যবসা বাণিজ্য করতে গেলে সেখানে সাপোর্টতো দেনই'নি, উল্টো বাধা দিয়েছেন; তিনি যখন ক্ষুধার তাড়নায় ও রোগ যন্ত্রণায় মৃত্যু পথযাত্রির মতোও হয়েছিলেন বা ছটফটও করেছিলেন, তখনও দয়া মায়া বলতে আপনাদের মধ্যে কিছু দৃষ্ট হয়নি।
এখন কোন্ অধিকারে আপনি বা আপনারা তার কাছে চাইতে পারেন বা পাইতে পারেন? চাওয়া ও পাওয়ার ক্ষেত্রে এবং না পেলে আবার তার দোষ কীর্তন করার আপনার বা আপনাদের অধিকার কই!?
তাই, যদি সত্যিই এ জিন বা জিনদের এ সম্প্রদায় ধন-রত্নসহ জনাব আরিফের নিকট উপস্থিত হয়; অথবা তিনি যদি উপস্থিত করতে পারেন; তখন জনাব আরিফের পরিচিত জনদের থেকে শুরু করে সরকার পর্যন্ত যে কোন মানুষ বা যে কোন দেশি, বিদেশী বা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান বা স্বদেশ সহ যে কোন দেশের সরকার, আপনারা জনাব আরিফের নিকট কোন কিছু আবেদন করতে অবশ্যই নিজ নিজ বিবেক অনুযায়ীই আবেদন করতে হবে যে, আপনারা জনাব আরিফকে কী দিয়েছেন! বা তার প্রতি কতটুকু করেছেন! এখন তার প্রতি সে হিসেবেই চাইতে পারেন! এতোদিন জনাব আরিফকে যা দিয়েছেন বা যতটুকু দিয়েছেন, ঠিক ততটুকুই আবেদন করার যোগ্য হবেন বলে তিনি মনে করেন। বিষয়টি সকলকে মনে রাখার প্রতিও তিনি গুরুত্বারোপ করেন!
এক্ষেত্রে যদি এ সম্প্রদায়ের জিনেরা মানব রূপে এবং অন্য কোন রূপে এ দুনিয়ায় মানুষের নিকট ওপেন হয় বা যদি তাদেরকে ওপেন করতে পারা যায়; তখন জিনদের এ সম্প্রদায়ের সদস্যগণ কেবলমাত্র জনাব জিন আরিফেরই অধীন থাকবে; পৃথিবীর অন্য কোন মানুষ, বা প্রতিষ্ঠান বা সরকারের নিকট জনাব আরিফকে আসর করা এ জিনের বা এ জিন সম্প্রদায়ের কোন সদস্য দায়বদ্ধ থাকবে না বা অন্য কাউকে মেনে চলতে তারা বাধ্য থাকবে না।
উল্লেখ্য যে, জনাব আরিফের একটি বৈশিষ্ট্য হলো, তিনি যা বলেন, বা লিখেন, বা সিদ্ধান্ত প্রদান করেন; তা বুঝে-শুনেই বলেন বা লিখেন। তাই একবার কাউকে বা কোন বিষয়ে কিছু বলে ফেললে বা লিখে ফেললে তিনি তা দ্রুত বাস্তবায়ন করেন এবং খুব সহজে তিনি তার কথা বা লিখা বা চুক্তি পরিবর্তন করেন না। কারণ তিনি মনে করেন ভদ্রলোক তাকেই বলে, যার কথার মূল্য রয়েছে। সে হিসেবে এ প্রবন্ধে তিনি যে সব বিষয় জানিয়েছেন তা ভবিষ্যত সময়ের জন্যেও অপরিবর্তনীয় থাকবে। তার এ কথা সমূহে বা সিদ্ধান্ত সমূহে কোন রূপ পরিবর্তন হবে না। কথা বা লিখা এক্সপাঞ্জ করার বা কাটা-ছেঁড়া করার ইতিহাস তার জীবনে খুব একটা নেই।
এখানে আরো একটি বিষয় সকলের জ্ঞাতার্থে তিনি জানাচ্ছেন যে, আত্মীয়-স্বজনের চাইতে আপনজন, মানুষের আর কেউ থাকতে পারে না। তিনিও মানুষ, তিনিও এর ব্যতিক্রম নয়! কিন্তু কেমন করে তার সত্য সমূহ এবং তার সিদ্ধান্ত ও অভিব্যক্তি সমূহ স্পষ্ট ভাবে ব্যক্ত করেছেন বা অতীত থেকে ব্যক্ত করে আসছেন, এ বিষয়ে নিশ্চয়ই তার সম্পর্কে আপনাদের সম্যক জ্ঞান হয়েছে। তাহলে অন্যদের ব্যাপারে তিনি কেমন হতে পারেন, তা সহজেই অনুমেয়! এ সূত্র থেকে দেশ ও বিশ্বের আপনাদের সবাইকে এই বলে তিনি সতর্ক করছেন যে, যদি তিনি জিন কর্তৃক শক্তিমান ও সেপ্টি হন, তাহলে সত্য বা ন্যায় বিচার বা সু-শাসনের ক্ষেত্রে তার আপন পর বলতে কেউ থাকবে না, হকের বিপরীতে কোন অবৈধ বা লোভনীয় বা গ্রুপিং জনিত বা স্বজনপ্রীতী বা দলপ্রীতী জনিত আপোষ তিনি কষ্মিক কালেও করবেন না অথবা এ বিষয়ে গোপনীয় বা ভিন্নরূপ বা স্বার্থাম্বেষী কোনকিছু বা স্বজন দ্বারা বা যে কোন অপ শক্তিদ্বারা তাড়িত হয়ে কোন কিছু তিনি মানতে পারবেন না; ইনশা'আল্লাহ তিনি সবাইকে আপন এবং সবাইকেই পর, এ বিবেচনাতেই যে কোন কার্য পরিচালনা করবেন! এবং তিনি যদি নিরাপদ হতে পারেন, তবে যে কোন অন্যায় ও জুলুমের বিপরীতে তাকে পাবেন একেবারেই ইস্পাত-কঠিন। বিপরীতক্রমে অন্যায়কারী যত বড় জালিম কিংবা যত শক্তি ওয়ালা সরকারই হোন না কেন! ইনশা'আল্লাহ তিনি তার ব্যক্তিত্ব পালনে ও সিদ্বান্ত বাস্তবায়নে থাকবেন অনড়। বিষয়টি তার পক্ষ থেকে আপনাদের জ্ঞাতার্থে সবাইকে জানিয়ে দেয়া হলো।
বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশের জনগণ ও সরকার সহ স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত সরকারি বেসরকারি বা ব্যক্তি কেন্দ্রিক সংশ্লিষ্ট বৈধ ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ এবং প্রতিষ্ঠান সমূহকে এ বিষয়গুলো জানিয়ে দেয়ার জন্যে ও এ বিষয়ে প্রচারণা পরিচালনার জন্যে এবং শাফেয়ী মাযহাবের ফতোয়া জানা বা তাদের তথ্য পাওয়ার উদ্দেশ্যে উপরোক্ত এ লিখাটুকু যথোপযুক্ত মিডিয়া, পত্রিকা ও সোস্যাল প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করা হলো।
ধন্যবাদ। সকলে ভালো থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।
0 মন্তব্যসমূহ